পাহাড়ের উন্নয়নকে নজর করেই তৃণমূলেকে সমর্থন বিমলের - The News Lion

পাহাড়ের উন্নয়নকে নজর করেই তৃণমূলেকে সমর্থন বিমলের




দি নিউজ লায়ন ;  পাহাড়ের উন্নয়নকে নজর করেই তৃণমূলেকে সমর্থন বিমলের। জিটিয়ের পদ ছেড়ে একটা সমর্থক জোগাড় করে দেখাক- বিনয় অনিতকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ বিমল শিবিরের। শনিবার শিলিগুড়ির একটি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা একের যুব শাখা। এদিন বৈঠক থেকে তারা স্পষ্ট জানান পাহাড়ের উন্নয়নই বর্তমানে প্রধান লক্ষ্য বিমল গুরুংয়ের। সেই পথেই এগোবে বিমলের নেতৃত্বে দল। আর পাহাড়ের উন্নয়নের একমাত্র কান্ডারি রাজ্যের সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মতো পাহাড়ের উন্নতি সাধনের কথা কেউ ভাবেনি।


বর্তমান রাজ্য সরকারের সঙ্গে থেকেই পাহাড়ের ডিআই, সিনকোনা,পাহাড়ের স্থায়ী সমাধান মিলবে। তাই তৃণমূলের সঙ্গে মিলে পাহাড়ের সমগ্র উন্নয়নের কার্যে সরিক হবে বিমলের মোর্চা। কারন তারা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন ১২বছর বিজেপির জেলা নেতা থেকে দিল্লির দরবার চড়কি পাক কেটেছে বিমল গুরুং- রোশন গিরি পাহাড়ের অধিকারের দাবি নিয়ে। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার যুব সহ সভাপতি প্রকাশ গুরুং বলেন সাংসদ থেকে মন্ত্রীসভার মন্ত্রী প্রত্যেকের কাছে পাহাড়ের ১১জনজাতির স্বীকৃত, পাহাড়ের উন্নয়ন ও স্থায়ী সমাধানের বিষয় নিয়ে কয়েকশো স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।


 বিজেপির জেলা পদাসীন থেকে দিল্লির নেতারা কেউ একজনও বাদ যায়নি। তবে তার ফল শূন্য। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ের উন্নয়ন ক্রমাগত করে গিয়েছেন ভোটের আশা না করেই। তিনি বিধানসভায় ১১টি জনজাতিকে স্বীকৃতি দিয়ে কেন্দ্রকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে কিন্তু কেন্দ্র সরকার ১২বছরে তাতে আমোল দেয়নি। বিজেপি ভোট ব্যাংক ধরে রাখতে দর কষাকষির রাজনীতি করছে। 


তবে দর কষাকষি করে রাজনীতি হয়না। গোর্খাদের স্বার্থ অধিকার তৃনমূল রক্ষা করেছে তাই গোজামুমুর সমর্থম তৃণমূলের সঙ্গে থাকবে সেটা আমাদের সিদ্ধান্ত। এখন বিজেপি দরকষাকষি করে কোনো লাভ হবে না।সাংসদ রাজু বিস্টকে তোপ দেগে হুঁশিয়ারি বিমল শিবিরের।অন্যদিকে বিমলের সভার এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ফের রবিবার শিলিগুড়িতে প্রথম বিনয়ের জনসভা প্রসঙ্গে প্রশান্ত গুরুং বলেন জিটিএ পদ ছেড়ে বিনয় তামাং ও অনিত থাপা তাদের সমর্থন দেখাক। 


খোলাখুলি বিনয় তামাংকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেন সরকারি জিটিয়ের স্টাফ, ঠিকাদার কর্মী, ও শিক্ষকদের এনে তারা জনসভা ভরাতে চায়। তাদের চাপ দিয়ে অধীনস্থ করে সমর্থনের কথা বলে বিনয় অনিত। জিটিয়ের পদ ছেড়ে দাঁড়ালে একটি সমর্থনও তাদের সঙ্গে থাকবে না। যদি তাদের ক্ষমতা থেকে থাকে তাহলে বিমলের ঝান্ডা ধার নিয়ে কেন ঘুরছে বিনয়, নিজের দল তৈরি করুক। 


বিনয় সো কলড নেতা-সরাসরি আক্রমন বিমল শিবিরের।পাশাপাশি একই সঙ্গে দার্জিলিং বিধায়ক নীরজ জিম্বাকেও এদিন একহাত করে তারা বলে বিমল গুরুং আশীর্বাদ থাকায় জিতেছে নিরজ জিম্বা। তার মতো নিক্কমা (অকর্মণ্য) বিধায়ক পাহাড়ের ইতিহাসে নেই।জিতেই বিজেপি মাখন লাগাতে ব্যস্ত নিরজ জিম্বা একেবারের  জন্যও দার্জিলিংয়ের স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে প্রস্তাব রাখেননি।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.